সংগ্রহ : মোহাম্মদ জামসেদ সাংবাদিক কর্মী
হাটহাজারীতে প্রধানমন্ত্রীর আগমন মীর হেলালের কৃতিত্ব নয়, হাটহাজারীবাসীর কৃতিত্ব। কারণ তারা দক্ষ ও যোগ্য সন্তানকে সংসদে পাঠিয়েছে। যিনি বছরের পর বছর নিজেকে এই অবস্থানে আসার জন্য ত্যাগ ও শ্রম দিয়েছেন।
উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে হাটহাজারী তথা চট্টগ্রাম সফর করে গেলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, গণমানুষের নেতা, বিএনপির চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমান। আর সেটা ক্ষমতা গ্রহণের ৬ মাসের ভিতর। এই সফর খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ।
ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, একজন সাধারণ দলের কর্মী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভ্যানগার্ড ও তারেক রহমানের সহকর্মী হিসেবে রাজনৈতিক পথচলা। হাটহাজারীর পথেপ্রান্তরে ছুটে চলা এক তরুণ তুর্কি।
দলের তৃণমূল থেকে গড়ে উঠা এক জিয়ার সৈনিক। দলের দুঃসময়, দেশের সংকট, তৃণমূল কর্মীরা দিশেহারা। আর এমনই সময় ধরলেন দলের হাল এবং মিশে গেলেন তৃনমুল কর্মীদের সাথে।
এটাতেই ক্লান্ত হননি, বছরের পর বছর দলের জন্য সংগ্রাম করে গেলেন। কখনও আইনজীবী হিসেবে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য আদালত পাড়ায়। আবার কখনও দলের হয়ে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে দৌড়ঝাঁপ। আবার কখনও দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম। এতে সমতল পাহাড়, সমুদ্র থেকে গ্রাম গন্জে ছুটে চলা। কখনও জেলখানায় মিথ্যা মামলায় বন্দি। কিন্তু একটিবারের জন্য দল ছেড়ে যাননি। বরঞ্চ বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য থেকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পদে অধিষ্ঠিত হয়ে আরো জোরে তৎপরতা চালাতে লাগল। যার প্রভাব নগর থেকে পাহাড়ের চূড়ায় পৌঁছে গেলো। শুধু রাজনৈতিক সীমাবদ্ধের মধ্যে ছিলেন না, দেশের দূর্যোগসহ করোনা কালীন সময়সহ জনতার কাতারে ছিলেন।
এমনকি জুলাই আন্দোলনে নিজের জীবন বাজী চট্টগ্রামে আন্দোলন কে অন্য মাত্রায় নিয়ে গেছিলেন।
কখনও মন্ত্রী, এমপি হবে এসেবের চিন্তা করেনি। সবসময় দল ও নেতার আনুগত্য করেছিলেন। উনার এইসব দেখে আমরা তৃণমূলের কর্মীরাও কখন অর্থ-বিত্ত-ক্ষমতার আশা করিনি। এমনকি সাংগঠনিক পদ-পদবির জন্য লড়াই সংগ্রাম করিনি। বরঞ্চ উনার স্বার্থে অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদ ত্যাগ করেছি। এমনকি উনার সফলতা ও স্বার্থকেই প্রধান্য দিয়েছি।
সবশেষে মানুষের ভোটাধিকার ফিরে আসল এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘনিয়ে আসল। তখনও তিনি দল ও নেতার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।
আর তাই সবকিছুর মূলে জনাব তারেক রহমান আস্থা রাখলেন এবং চট্টগ্রাম-৫ হাটহাজারী ও বায়েজিদ আংশিক সংসদীয় আসনের দায়িত্ব দিলেন। আর উনিও ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ময়দানে ঝাপিয়ে পড়লেন। বিনিময়ে হাটহাজারীবাসী নিরাশ করেনি। তারা তারেক রহমানকে লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন ভাইকে সংসদ সদস্য বানিয়ে উপহার দিলেন। আর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাটহাজারীবাসীকেও নিরাশ করেনি। একে একে দুইটি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বানিয়ে পুরস্কার দিলেন। এমনকি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই হাটহাজারী সফর করে আমাদেরকে আরো আনন্দিত ও গর্বিত করলেন। সেই জন্য শুরুতেই লিখছিলাম যে, এই কৃতিত্ব ব্যারিস্টারের নয়, হাটহাজারীবাসীর। তারা তাদের সন্তানকে যোগ্য ও দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারায়। আজকে প্রতিমন্ত্রী হয়ে সারাদেশে জনগণের সেবায় নিয়োজিত।
এই কথাটা আমার নয়, খোদ মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি ভাইজান বলেছেন। যদিও আমি ও আমরা মনেপ্রাণে বিশ্বাস ও ধারণ করি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমনের সকল কৃতিত্ব ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন ভাইজান। উনার মাধ্যমে হাটহাজারীবাসীর স্বপ্ন পূরণ হলো। আলহামদুলিল্লাহ এতেই আমাদের প্রাপ্তি ও প্রশান্তি। ইনশাআল্লাহ শীঘ্রই আরো উচ্চ আসনে দেখব। আর সেটাই হউক দোয়াতে সকলের প্রার্থনা।
ফেইসবুক আইডি থেকে কপি :
মোহাম্মদ জামসেদ, সাংবাদিক কর্মী
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন