শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে এ ঘোষণা দেন এবং তিনি অবিলম্বে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার কথা বলেছেন।
ওই পোস্টে তিনি লেখেন, অনবরত ‘ভুয়া খবর’ পরিবেশন করায় অবিলম্বে সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকোকে হোয়াইট হাউজে নিষিদ্ধ করছি।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট, ট্রাম্প প্রশাসন কিংবা আমেরিকাকে নিয়ে সংবাদ পরিবেশনের সময় সংবাদমাধ্যমগুলোর মনগড়া তথ্য ও মিথ্যা প্রচার চালানোর সুযোগ থাকা উচিত নয়। অন্যান্য ‘ফেক নিউজ’ মিডিয়ার বিরুদ্ধেও একই পদক্ষেপ আসছে।
ভবিষ্যতে আরও কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের ওপর একই ধরনের কড়াকড়ি আরোপের ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প।
খবর: আল জাজিরা আল জাজিরার অ্যালান ফিশার ওয়াশিংটন থেকে.. ট্রাম্পের এ নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে শিগগিরই আইনি চ্যালেঞ্জ আসতে পারে।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনীতে বলা হয়েছে, সরকার এ ধরনের বিষয়ে মানুষের প্রবেশাধিকার সীমিত করতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, এর আগে অন্য প্রেসিডেন্টরাও সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়েছেন। লিন্ডন বি জনসন সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করতেন। রিচার্ড নিক্সনও হোয়াইট হাউসে নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তিকে নিষিদ্ধ করা যায় কি না, তা নিয়ে ভাবতেন। তবে প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাদের বলা হয়েছিল, এ ধরনের পদক্ষেপ ভালো দেখায় না।
ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের সমালোচনা করে আসছেন। তিনি সংবাদমাধ্যমের কাভারেজকে অন্যায্য বলে দাবি করেছেন এবং সাংবাদিকদের প্রতিবেদন নিয়ে মৌখিকভাবে আক্রমণও করেছেন।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন