জাতীয় সংসদের সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে গত দুই মাসে ঘটে যাওয়া একের পর এক নাটকীয় ও চাঞ্চল্যকর ঘটনা পুরো দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনকে নাড়া দিয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়ে সংসদে প্রবেশ করা এই প্রবীণ রাজনীতিকের বর্ণিল রাজনৈতিক জীবন এখন চরম সংকটে। ব্যক্তিগত জীবনের গোপন ভিডিও ফাঁসের ঘটনা থেকে শুরু করে দলীয় বহিষ্কার, সংসদ সদস্য পদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আইনি জটিলতা এবং পরিশেষে তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের রহস্যজনক মৃত্যু ও আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে রিমান্ড—সব মিলিয়ে গাজী নজরুলের জীবন এক অন্ধকার অধ্যায়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে।
গত জুলাইয়ের শেষ দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাতক্ষীরার সংসদ সদস্য গাজী নজরুলের একটি ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। ভিডিওটিতে তাকে এক তরুণীর সঙ্গে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা যায়। শুরুতে জামায়াতের বিভিন্ন নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা এটিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ডিপফেক প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি বলে দাবি করার চেষ্টা করলেও পরে নিজেই প্রকৃত সত্য সামনে নিয়ে আসেন। দ্বিতীয় বিয়ের স্বীকারোক্তি: গাজী নজরুল গণমাধ্যম ও দলীয় ফোরামে জানান যে, ভিডিওতে থাকা তরুণী তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বেগম। তিনি দাবি করেন, প্রথম স্ত্রীর পূর্ণ সম্মতিতে এবং পারিবারিকভাবে গত ১৭ জুন তিনি মরিয়মকে বিবাহ করেন।
দলীয় তদন্ত ও বহিষ্কার: ব্যক্তিগত জীবনের এই অনৈতিক ও বিতর্কিত ঘটনায় জামায়াতে ইসলামী তাৎক্ষণিকভাবে অভ্যন্তরীণ সাংগঠনিক তদন্ত শুরু করে। গত ২২ জুলাই দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক জরুরি বৈঠকে গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী গাজী নজরুলকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। দলটির পক্ষ থেকেজানানো হয়, প্রাথমিক তদন্তে তার ‘নৈতিক স্খলন’ সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে। পাশাপাশি, এই সিদ্ধান্তের কথা জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও নির্বাচন কমিশনকেও আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেয় জামায়াত।
দল থেকে বহিষ্কারের পর থেকেই গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদ থাকবে কি না, তা নিয়ে তীব্র আইনি ও রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী, কেবল কোনো রাজনৈতিক দল বা জোট থেকে বহিষ্কার করলেই একজন সংসদ সদস্যের পদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায় না। কার্যক্রম থেকে দূরে রাখা: দল থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর সংসদের বিভিন্ন সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে তার অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এ ছাড়া সরকারি প্রতিশ্রুতি-সম্পর্কিত কমিটিতেও তার নাম রাখা নিয়ে তীব্র আপত্তি ও বিতর্কের মুখে শেষ পর্যন্ত তার নাম বাদ দেয়া হয়।
স্পিকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়: এ বিষয়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত না দেয়ায় তার পদটি আইনি প্রক্রিয়ায় ঝুলে রয়েছে। জামায়াতের পক্ষ থেকে তাকে পদত্যাগ করে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার পরামর্শ দেয়া হলেও তিনি আইনি ও রাজনৈতিকভাবে টিকে থাকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
ব্যক্তিগত বিতর্ক ও রাজনৈতিক টানাপোড়েনের রেশ কাটতে না কাটতেই গত রোববার এক নতুন ও মর্মান্তিক ঘটনায় শিরোনামে আসেন গাজী নজরুল। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের সরকারি ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে ১৯ বছর বয়সি তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সংসদ সদস্যদের জন্য বরাদ্দকৃত এই সরকারি আবাসনে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বসবাস করতেন তারা।
মরিয়মের এই মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ও শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।
স্ত্রী মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনায় রাতেই নিহতের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামিরা: এই মামলায় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগম এবং মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ও রিমান্ড: মামলার পর রাতেই পুলিশ গাজী নজরুল এবং তার প্রথম স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায় এবং পরে প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার দেখায়। গতকাল সোমবার তাদের ঢাকার আদালতে হাজির করা হলে আদালত মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে গাজী নজরুলকে চার দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই মামলায় তার প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা ইসলামের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।
এজাহারের অভিযোগ: বাদীর এজাহারে দাবি করা হয়েছে, বিয়ের পর থেকেই মরিয়মকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হতো। গাজী নজরুল, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা এবং মামা ওবায়দুরের আচরণ ও মানসিক চাপের কারণেই মরিয়ম চরম হতাশায় ভুগেছিলেন। মৃত্যুর আগের কয়েক ঘণ্টা অর্থাৎ ২০ সেপ্টেম্বর বেলা ৩টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টার মধ্যে কোনো এক সময়ে ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গাজী নজরুল নিজেই মরিয়মের বাবাকে ফোন করে দ্রুত বাসায় আসতে বলেন। সেখানে গিয়ে মরিয়মকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তার বাবা।
ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি আত্মহত্যার নোট বা সুইসাইড নোট উদ্ধার করেছে। ওই নোটে বিশ্বাসভঙ্গ, প্রতারণা এবং কাছের মানুষের কারণে চরমভাবে বিপর্যস্ত হওয়ার ইঙ্গিত রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে উদ্ধার করা লেখাটি আসলেই মরিয়মের নিজের হাতের লেখা কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ফরেনসিক পরীক্ষার উদ্যোগ নিয়েছে। ফরেনসিক রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই মৃত্যুর পেছনের আসল রহস্য পরিষ্কার হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে সিদ্ধান্তে সংসদের চিঠির অপেক্ষায় ইসি: সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের সংসদ সদস্য পদ নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দলীয় বহিষ্কারের পরও তার এমপি পদ বহাল থাকা এবং সম্প্রতি দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তবে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের আনুষ্ঠানিক চিঠির অপেক্ষায় রয়েছে ইসি।
গতকাল নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদ নিয়ে এখনো সংসদ থেকে কোনো চিঠি আসেনি। সংসদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জানানো হলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। ইসি সচিবের ভাষ্যানুযায়ী, সংসদ নির্বাচন আয়োজন ও নির্বাচিত সদস্যদের গেজেট প্রকাশ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব থাকে। এরপর শপথ এবং সংসদ সদস্যদের পদসংক্রান্ত পরবর্তী বিষয় সংসদের এখতিয়ারভুক্ত। ফলে দলীয় বহিষ্কারের ভিত্তিতে সরাসরি এমপি পদ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার সুযোগ কমিশনের নেই। এর আগে জুলাইয়ে জামায়াতে ইসলামী গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়। দলীয় তদন্তে তার বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে সে সময় জানানো হয়। পরে দলটির পক্ষ থেকে স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনকে বিষয়টি জানিয়ে চিঠি দেয়া হয়।
তবে ওই চিঠির পরও ইসি জানিয়েছিল, কেবল কোনো রাজনৈতিক দলের চিঠির ভিত্তিতে সংসদ সদস্য পদ বাতিল বা শূন্য ঘোষণা করার এখতিয়ার তাদের নেই। সংসদ বা স্পিকারের আনুষ্ঠানিক রেফারেন্স পাওয়া গেলে সংবিধান ও সংশ্লিষ্ট আইন পর্যালোচনা করে করণীয় নির্ধারণ করা হবে।
গাজী নজরুলকে নিয়ে জামায়াতের অবস্থান স্পষ্ট: শিশির মনির
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো বক্তব্য নেই বলে জানিয়েছেন দলটির আইনজীবী ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। তার ভাষ্য, গাজী নজরুলকে আগেই দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ফলে বর্তমানে তার সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর কোনো রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নেই। গতকাল সোমবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্টের অ্যানেক্স ভবনের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিশির মনির এসব কথা বলেন। তিনি জানান, গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ বা ঘটনা সামনে এসেছে, সেগুলোর বিষয়ে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেবে। ব্যক্তিগত কোনো ঘটনায় জামায়াতের পক্ষ থেকে আলাদা বক্তব্য দেয়ার বিষয় নেই বলেও জানান তিনি।
গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে শিশির মনির বলেন, দল থেকে বহিষ্কারের পর তার এমপি পদ বহাল থাকবে কি না, সেটি স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বিষয়। এর আগে আগস্টেও তিনি বলেন, দল থেকে বহিষ্কৃত হলেও গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদ তখন বহাল ছিল।
মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনায় মামা ওবায়দুরকে দায়ী করলেন বাবা: মরিয়মের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ মেয়ের মৃত্যুর পেছনে তার শ্যালক ও মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে দায়ী করেন।
গতকাল সোমবার সকালে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গের সামনে মেয়ের মরদেহের অপেক্ষায় ছিলেন মাসুম বিল্লাহ ও তার স্ত্রী। সেখানে সাংবাদিকদের কাছে মেয়েকে হারানোর কষ্টের কথা বলতে গিয়ে তিনি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীর শাস্তি দাবি করেন।
মাসুম বিল্লাহ বলেন, মেয়ের সঙ্গে তার নিয়মিত কথা হতো না। তার ভাষ্য, মরিয়ম গাজী নজরুলের সঙ্গে বেশি কথা বলতেন এবং অনেক সময় বাবা কথা বলতে চাইলেও কথা বলতেন না। মেয়ের কাছ থেকে পাওয়া বিভিন্ন কথার উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, মরিয়ম তার মামা ওবায়দুর রহমানকে বিশ্বাস করতেন এবং ওই সম্পর্কের কারণেই শেষ পর্যন্ত তাকে এমন পরিণতির মুখে পড়তে হয়েছে। মরিয়মের বাবা আরও দাবি করেন, মেয়ের সঙ্গে কথা বলার সময় সে মামা ওবায়দুরের বিষয়ে কষ্টের কথা জানাত এবং কান্নাকাটি করত। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনার কারণে মরিয়মকে পরে সংসদ সদস্যদের আবাসিক ন্যাম ভবনে থাকতে হয়েছিল এবং সেখানেই তার মৃত্যু হয়। এসব বক্তব্য এখন তদন্তের আওতাধীন।
মরিয়মের সঙ্গে গাজী নজরুলের সম্পর্ক নিয়েও নিজের অজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন তার বাবা। তিনি বলেন, শুরুতে বিষয়টি তারা জানতে পারেননি। পরে বিষয়টি জানার পর পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। গাজী নজরুল তার আপন খালু হওয়ায় পারিবারিক সম্পর্কের বিষয়টিও সামনে আসে।
এদিকে মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনায় ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া কথিত আত্মহত্যার নোট নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। ওই কাগজগুলো মরিয়মের লেখা কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তার বাবা। ফলে নোটটির সত্যতা ও লেখকের পরিচয় তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করার বিষয় রয়েছে।
দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শ্যামনগরে বিক্ষোভ: গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শ্যামনগরে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে। গতকাল সোমবার সকালে এ বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ থেকে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি ও গাজী নজরুলের কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়। শ্যামনগর বাসস্ট্যান্ড থেকে উপজেলা সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। পরে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা এবং গাজী নজরুল ইসলামের সংসদ সদস্য পদ বাতিলের দাবি জানান।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন